আলোচিত খবর

জীবিত উদ্ধার রহিমা বেগম, বস্তাবন্দি লাশটা তাহলে কার! ফেঁসে যাচ্ছেন মেয়ে মানান

দেশের আলোচিত ঘটনা খুলনার মরিয়ম মান্নানের মা রহিমা

বেগমরে নিখোঁজ হওয়া। নিখোঁজের ২৮ দিন পর তার মাকে

অক্ষত অবস্থা ফরিদপুর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। মরিয়ম মান্নানের মায়ের নিখোঁজের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি, মানববন্ধন ও বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থার কাছে ধরনা দিচ্ছিলেন। তার করা মামলায় জেলেও যেতে হয়েছে ছয়জনকে। ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় দাফন হওয়া এক নারীর লাশ নিজের মায়ের বলে দাবি করেছিলেন খুলনার দৌলতপুরের মরিয়ম মান্নান। শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ফুলপুর থানায় গিয়ে উদ্ধারকৃত নারীর পোশাক ও সংরক্ষিত আলামত দেখে এমন দাবি করেন তিনি। প্রশ্ন উঠেছে তাহলে ফুলপুরের লাশটি কার? এ বিষয়ে ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, ‘১০ সেপ্টেম্বর বস্তাবন্দি

অবস্থায় ওই লাশটি আমরা উদ্ধার করেছিলাম। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হয়েছে আমাদের। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা লাশের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি। ওই লাশটি তাহলে কার এমন প্রশ্নে ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমার থানা ও আশপাশের এলাকায় খোঁজ নিয়েছি আমরা। এখানে কেউ নিখোঁজ নেই৷ আমাদের ধারণা, অন্য কোনও স্থানে হত্যা করে ওই নারীকে বস্তাবন্দি করে এখানে ফেলে যাওয়া হয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত হতে আমরা ইতোমধ্যে ওই নারীর ছবি দিয়ে পোস্টার লাগিয়েছি বিভিন্ন এলাকায়। পত্রপত্রিকায় তা প্রকাশ করেছি। বেতার বার্তায় ছবিসহ বিভিন্ন জেলায় খবর পাঠিয়েছি। এখনও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। একইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্তে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আমরা। শনিবার রহিমা বেগমকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উদ্ধার করার পর নিখোঁজের মামলায় আটকৃতদের পরিবারের সদস্যদের দাবি, ‘জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে পরিকল্পিতভাবে আত্মগোপন করেছিলেন রহিমা বেগম। বিষয়টি জানতেন তার মেয়ে মরিয়ম মান্নানসহ পরিবারের সদস্যরা।’ এ মামলায় আটক হাওয়ার পলাশ ও য়েলের বাবা আনসার উদ্দিন আহমেদ বলেন, তারা নাটকবাজ। পুলিশ প্রশাসনকে মিথ্যা কথা বলে প্রায় এক মাস বিভ্রান্ত করেছে। ময়মনসিংহে গিয়েও মরিয়ম নাটক সাজায়। তিনি আটককৃতদের মুক্তি এবং রহিমা বেগম ও তার পরিবারের সদস্যদের শাস্তির দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, আমার দুই ছেলেকে রহিমাকে কথিত অপহরণের মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তারা হয়রানির শিকার হয়েছেন। তাদের সঙ্গে জমির সীমানা নিয়ে মতবিরোধ থাকায় মামলা দিয়ে হয়রানি ও সম্মানহানি করা হয়েছে।

Related Articles

Back to top button