আলোচিত খবর

বশেমুরবিপ্রবি ছাত্রীর মায়ের গলিত লাশ উদ্ধারের দাবি

আটাশ দিন আগে নিখোঁজ হওয়া মায়ের লাশ উদ্ধারের দাবি করছেন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে

(বশেমুরবিপ্রবি) পড়ুয়া এক ছাত্রীর বোন। তার অভিযোগ, তার মাকে খুলনার দৌলতপুরের নিজ বাড়ি থেকে ২৮ দিন আগে গুম করা হয়েছে। ময়মনসিংহের ফুলপুর থানায় অজ্ঞাত হিসেবে কবর দেওয়া এক লাশকে নিজের মা’র বলে দাবি করছেন ঐ ছাত্রীর বোন। শুক্রবার রাতে ঐ ছাত্রীর বড় বোনের ফেসবুক আইডি থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রাত ১২ টা ১০ মিনিটি তিনি এক স্টাটাসে জানান, আর কারো কাছে আমি যাবো না। কাউকে আর বলবো না আমার মা কোথায়। কাউকে বলব না আমাকে একটু সহোযোগিতা করুন। কাউকে বলব না আমার মাকে একটু খুঁজে দেন। কেউকে আর বিরক্ত করবো না। আমি আমার মা’কে পেয়ে গেছি। এদিকে সকাল ৮ টায়

ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে তিনি আরো জানান, ‘আমার মায়ের চুল, কপাল ও হাত আমি চিনব না তো কে চিনবে? যারা যারা বলেছিলেন আমার মা আত্মগোপন করেছেন তারা সবাই নাক ঢাকার জন্য ব্যবস্থা করুন কারণ আমার মার পঁচা গলা আর পোকায় খাওয়া লাশটা নিয়ে আমি আপনাদের কাছে সবার আগে যাব!’ মেয়ের এমন পোস্টে অনেকেই শেয়ার ও কমেন্টস করেছেন। তবে বিষয়টি জানার জন্য বশেমুরবিপ্রবি ছাত্রীকে একাধিক বার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। অপহরণের একদিন পরে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে খুলনার দৌলতপুর থানায় মামলা করেন ঐ শিক্ষার্থী। অন্যদিকে এ ঘটনায় ব্যস্ত থাকায় সেমিস্টার ফাইনালের দুটি পরীক্ষা তিনি দিতে পারেননি বলে জানা গেছে। এদিকে খুলনার দৌলতপুর থানা-পুলিশ, মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই এবং ময়মনসিংহ পুলিশ বলেছে, বিষয়টি সম্পর্কে তারা নিশ্চিত নন। দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলাম জানান, তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছেন। আর মামলাটি খুলনা পিবিআইয়ের তদন্তে থাকায় তিনি বিস্তারিত জানেন না। তবে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার ৬ জনের জেল হাজতে থাকার বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন। খুলনার পিবিআই পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঐ নারীর মেয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি তাকে ময়মনসিংহের ফুলপুর থানায় মরদেহ উদ্ধারের কথা জানান। তারা তাকে আজ ঐ থানায় যেতে বলেছেন। তিনি আরো জানান, ফুলপুর থানা-পুলিশ উদ্ধার করা লাশের ডিএনএ নমুনা রেখেছেন। মরদেহের সঙ্গে তার পরিবারের লোকদের ডিএনএ মিললেই বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Related Articles

Back to top button