আলোচিত খবর

জায়েদ-চুন্নুর প্রার্থিতা বাতিল হচ্ছে?

শিল্পী সমতির নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান ও কার্যকরী

পরিষদের সদস্য চুন্নুর প্রার্থিতা বাতিলের জন্য নির্বাচনের আপিল বোর্ডের

কাছে আবেদন করেছেন চিত্রনায়িকা নিপুণ। গত মঙ্গলবার (১ ফ্রেব্রুয়ারি) নিপুণ এই আবেদন করেন। নিপুণের দাবি, বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার- সবাই কাজ করেছেন জায়েদ খানের পক্ষে। তাই ফলাফল গেছে তার বিপক্ষে। গত ২৮ জানুয়ারি এফডিসিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে ১৩ ভোটে হেরে যান অভিনেত্রী নিপুণ। এরপর জায়েদ খান ও তার প্যানেলের হয়ে কার্যকরী সদস্য পদে জয়ী চুন্নু ভোটারদের টাকা দিয়েছেন বলে

একটি ভিডিও জনসম্মুখে নিয়ে আসেন তিনি। এরই সূত্র ধরে এই দুজনের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে মঙ্গলবার আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন নিপুণ। সেই অভিযোগ আমলে নিয়ে শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান ও কার্যনির্বাহী সদস্য চুন্নুর প্রার্থিতা বাতিলের দিকনির্দেশনা চেয়ে আজ বুধবার সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর চিঠি দেন সোহানুর রহমান সোহান। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে আজ বুধবারই এ বিষয়ে নির্বাচনের আপিল বিভাগের কাছে দিকনির্দেশনা এসেছে, যেখানে বলা হয়েছে, নির্বাচন বিষয়ে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের আলাদা দিক নির্দেশনার কোনো প্রয়োজন নেই। এতে আরও বলা হয়েছে, ‘যেহেতু বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত গঠনতন্ত্র এবং অনুমোদিত গঠনতন্ত্রের আলোকে গঠিত নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত ও জারিকৃত নির্বাচনী আচরণবিধি মতে পরিচালিত হয়েছে, সেহেতু অনুমোদিত আচরণবিধি মতে উক্ত প্রার্থীদ্বয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত নির্দেশনা প্রদানের জন্য নির্বাচনী আপিল বোর্ড চূড়ান্ত ক্ষমতাপ্রাপ্ত। এমতাবস্থায়, বর্ণিত প্রার্থীদ্বয়ের বিষয়ে প্রাপ্ত অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি মতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য আপনাকে অনুরোধ করা হলো।’ এদিকে, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির গঠনতন্ত্রে শপথ গ্রহণের বাধ্যবাধকতা না থাকায় নিজের দায়িত্ব নিজেই বুঝে নিয়েছেন জায়েদ খান। তিনি সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বলেন, ‘আমাদের গঠনতন্ত্রের কোথাও শপথের কথা উল্লেখ নেই। আমরা এটা করি জাস্ট ফরমালিটিজ। আনুষ্ঠানিকতা হলো বিদায়ী কমিটি নতুন কমিটিকে ক্ষমতা বুঝিয়ে দেবে। যেমন- সেক্রেটারি নতুন সেক্রেটারিকে বুঝিয়ে দেবে। যেহেতু আমি নিজেই সেক্রেটারি তাই আমারটা বুঝে নিয়েছি।’ এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার পীরজাদা শহীদুল হারুন বলছেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, ‘যেহেতু সাধারণ সম্পাদক পদটি নিয়ে এখনও বিতর্ক চলছে সেহেতু ক্ষমতা বুঝিয়ে দিতে একটু সময় লাগবেই।’ আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি শিল্পী সমিতির নতুন কমিটির কাছে ক্ষমতা আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর হতে পারে।

Related Articles

Back to top button